আন্তর্জাতিক

এক বছর কীভাবে টিকে থাকলো ইউক্রেন?

এক বছর আগে ইউক্রেনের সীমান্ত এবং রাজধানী কিয়েভের দোরগোড়ায় সর্বাত্মক আক্রমণের জন্য রুশ সেনারা প্রবেশ করে। মস্কো আশা করেছিল দ্রুত জয় পাওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু এই যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ইউক্রেনের পতন হয়নি, হার মানেনি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই যুদ্ধে ইউক্রেনীয়দের প্রতিরোধ প্রশংসিত হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যে অনেকেই কিয়েভের পতন আশঙ্কা করলেও পরিকল্পনা, সাহস, কৌশল, বিদেশি সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা এবং রণক্ষেত্রে রাশিয়ার ব্যর্থতা মিলে এখন পর্যন্ত ইউক্রেন শত্রুদের ঠেকিয়ে রাখতে পেরেছে।

বলা হচ্ছে, ২০২২ সালের শেষ দিকে একাধিক ব্যর্থতার পর ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণে রাশিয়া অবস্থান শক্তিশালী করেছে। সম্প্রতি এসব অঞ্চলে আরও সামান্য অগ্রগতি অর্জন করেছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেন ও পশ্চিমারা বলছে, আরেকটি বড় আক্রমণের অংশ এসব অভিযান।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ বলে মনে হচ্ছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় রুশ অর্থনীতি বিপর্যয়ে পড়েনি এবং সংঘাতে মোতায়েন করার মতো লোকবল ও অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে রুশ সেনাবাহিনীর।

এখন পর্যন্ত রাশিয়া প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নেতৃত্বাধীন ছোট শক্তির ইউক্রেনকে আক্রমণ করে যাচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধের মুখ হয়ে উঠেছেন জেলেনস্কি। নিজ দেশের জনগণের পক্ষে বিশ্বনেতাদের কাছে আর্জি জানাচ্ছেন তিনি। আর ইউক্রেনীয় সেনাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ‘লৌহ জেনারেল’ হিসেবে পরিচয় পাওয়া ভ্যালেরি জালুঝনি।

কিয়েভে কোনও আত্মতুষ্টি নেই। যুক্তরাষ্ট্র ধারণা করছে, চলমান যুদ্ধে উভয় পক্ষের প্রায় ১ লাখ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। পূর্বাঞ্চলে পরিখা যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ভয়াবহ হচ্ছে।

শীতকালে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এর ফলে শীতে লাখো ইউক্রেনীয় বিদ্যুৎহীন বা উষ্ণতা ছাড়াই কাটিয়েছেন। বেসামরিক ভবনে আঘাত হেনেছে ক্ষেপণাস্ত্র। এর মধ্যে গত মাসে ডনিপ্রোর একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৪ জন নিহত হয়েছে। 

ফেব্রুয়ারির মাসের শুরুতে জেলেনস্কি এক ভিডিও বার্তায় বলেছিলে, পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইউক্রেন আশঙ্কা করছে, রাশিয়া আক্রমণ জোরদার করতে পারে। এই আশঙ্কা মাথায় রেখে হুমকি মোকাবিলার জন্য বিদেশিদের কাছ থেকে ট্যাংক, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত পাওয়ার জন্য তদবির করছে কিয়েভ।

এগুলো পেয়ে গেলে জেলেনস্কি ও ইউক্রেনের চাওয়ার তালিকায় রয়েছে যুদ্ধবিমান। কয়েকটি মিত্র দেশ যুদ্ধবিমান সরবরাহে রাজি আছে। কিন্তু মূল অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ‘না’ বলে দিয়েছেন।

পতন হয়নি কিয়েভের

রাজধানীর যত দিন পতন হচ্ছে না, সরকার তত দিন টিকে থাকবে।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে লাখো রুশ সেনা ইউক্রেনে প্রবেশ করে। প্রথম দিনে দক্ষিণে খেরসন এবং খারকিভের দিকে সহজেই অগ্রসর হয়। তবে তাদের মূল্য টার্গেট ছিল রাজধানী কিয়েভ। শহরটির ৩০ লাখ মানুষকে অবরোধ, জেলেনস্কিকে বন্দি বা হত্যা করে দ্রুত ইউক্রেনের আত্মসমর্পণের প্রত্যাশা ছিল রাশিয়ার।

কিন্তু কিয়েভে রুখে দাঁড়ায় ইউক্রেনীয় ন্যাশনাল গার্ড। শহরের প্রবেশ পথগুলোতে ট্যাংক-বিধ্বংসী ব্যারিকেড তৈরি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বলা হয় পেট্রোলবোমা দিয়ে রুশদের ওপর হামলা চালানোর জন্য।

প্রথম দিকে কিয়েভের ভেতরে অনিশ্চয়তা ছিল। ছিল আতঙ্কও। বাইরে ছিল রাশিয়ার বিশাল ও দীর্ঘ সামরিক বহর। যা ছিল ৪০ মাইল দীর্ঘ। মনে হচ্ছিল কিয়েভের পতন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

কিন্তু সব প্রতিকূলতার পরও রুশবাহিনী কিয়েভের বাইরেই আটকে যায়। রুশ সেনারা ইরপিন ও বুচা শহরে পৌঁছায় ঠিকই। কিয়েভের পূর্ব দিকে ব্রোভারিতেও লড়াই হয়েছে। এই তিনটি শহর এখন রুশ নৃশংসতার সাক্ষী হয়ে আছে।

শহরের বাইরে রাশিয়া এমন হত্যাযজ্ঞ চালালেও কিয়েভের পতন হয়নি। ইউক্রেনীয় সেনারা প্রস্তুতি নেয় এবং রাশিয়ার রসদ সরবরাহ ব্যবস্থায় আঘাত হানতে সক্ষম হয়। এর ফলে উড়োজাহাজে রুশ সেনারা অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়, ধ্বংস হয় রাশিয়ার সাঁজোয়া যান এবং রণাঙ্গন কখনও শহরের ভেতরে আসেনি।

আক্রমণের প্রথম মাসের মধ্যেই রাশিয়া বুঝতে পারে, তাদের দীর্ঘ লড়াই করতে হবে।

ইউক্রেনীয়দের প্রতিরোধের মুখ হয়ে উঠেছেন জেলেনস্কি। ছবি: এপি

জেলেনস্কি, অনুপ্রেরণাদায়ী নেতা

একদা অভিনেতা, এখন প্রেসিডেন্ট, ইউক্রেনের দৃঢ় প্রতিরোধের মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।

গত বছরজুড়ে খুব কম সময় মুখে হাসি ছিল সাবেক এই টেলিভিশন তারকার। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের ধারণা, কয়েক হাজার সামরিক ও বেসামরিক প্রাণহানি হয়েছে, লাখো মানুষ ইউক্রেন ছেড়েছেন। পূর্বাঞ্চল বলা যায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এমন সংকটকালীন সময়েও কিয়েভ ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় নেননি তিনি। প্রতিদিন রাতে আইফোনের মাধ্যমে ভিডিও বক্তব্য প্রচার করেছেন। লড়াইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সহযোগিতার জন্য বিশ্বনেতাদের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন। নিশ্চিত করেছেন যাতে করে ইউক্রেনীয়দের দুর্ভোগ থেকে বিশ্বের মনোযোগ চলে না যায়।

ইউক্রেন যে যুদ্ধে লিপ্ত তা মনে করিয়ে দিতে সব সময় খাকি পোশাক পরছেন ৪৫ বছর বয়সী জেলেনস্কি। ২০২২ সালে টাইম সাময়িকীর ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ তিনি নির্বাচিত হয়েছেন।

বিশ্বনেতাদের সমর্থন ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার ফলে সক্ষমতা বাড়ে। আর তাতে আসতে শুরু করে সাফল্য। 

মার্কিন হাউইটজারকে যুদ্ধের গেম চেঞ্জার হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। ছবি: রয়টার্স

পশ্চিমা সহযোগিতা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র দিয়ে এবং রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউক্রেনের পাশে থেকেছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত ইউক্রেনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন ৩২ বিলিয়ন ডলার বিদেশি সহযোগিতা পেয়েছে বাজেট ঘাটতি দূর করার জন্য। জানুয়ারি মাসের শেষ দিক পর্যন্ত শুধু যুক্তরাষ্ট্রই ২৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি নিরাপত্তা সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

মার্কিন নিরাপত্তা সহযোগিতার মধ্যে ছিল অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, হিমার্স রকেট লঞ্চার ব্যবস্থা। এগুলো দিয়ে রাশিয়ার অস্ত্র গুদাম, সেনা ও রসদে দূর থেকে হামলা চালাতে পেরেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী।

অত্যাধুনিক যুদ্ধের ট্যাংকের জন্য ইউক্রেনের তদবিরও সফল হয়েছে। যদিও রণাঙ্গনে এগুলো মোতায়েনে কিছুটা সময় লাগবে। অবশ্য কয়েকজন বিশেষজ্ঞ যুদ্ধের এগুলোর বড় প্রভাব ফেলার বিষয়ে সন্দিহান।

পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন, জার্মানি ও পোল্যান্ড বড় ধরনের সহযোগিতা করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক কম।

হিমার্স রকেট লঞ্চার দিয়ে রণক্ষেত্রের দূর থেকে রাশিয়ার অস্ত্র গুদাম ও ব্যারাকে হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেন। ছবি: রয়টার্স

আক্রমণ ও পাল্টা-আক্রমণ

রুশবাহিনীর কৌশলগত ভুল এবং নৈতিক দুর্বলতা কিয়েভকে পাল্টা-আক্রমণের সুযোগ দিয়েছে।

পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেনকে খাটো করে এবং নিজেদের সেনাবাহিনীর সামর্থ্যকে বড় দেখেছে মস্কো।

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর তুলনায় ইউক্রেনের বাহিনী অনেক ছোট। কিন্তু তারা সর্বাত্মক হামলার আশঙ্কা করছিল। দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব দিকে দ্রুত এগোলেও মূল লক্ষ্য কিয়েভ দখলে ব্যর্থ হয় তারা।

ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষাবাহিনী কিয়েভের কাছাকাছি হস্তোমেল বিমানঘাঁটি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে রাশিয়া আকাশপথে সেনা ও সরঞ্জাম আনতে পারেনি।

সড়ক পথে হাজারো সাঁজোয়া যান নিয়ে কিয়েভের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে তা জটিলতায় পড়ে। ইউক্রেন এই বহরে হামলা চালিয়ে রুশবাহিনীকে কিয়েভ দখলের লক্ষ্য বাদ দিয়ে ফেরত আসতে বাধ্য করে।

পশ্চিমা কর্মকর্তারা বলছেন, যেসব জায়গায় রাশিয়া অগ্রগতি অর্জন করেছে সেগুলোও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। এর ফলে শরতের পাল্টা আক্রমণে বিশাল ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে তারা।

মার্কিন হিমার্সসহ পশ্চিমাদের পাঠানো রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় থাকা রুশ গুদাম ও ব্যারাক ঝুঁকিতে পড়ে যায়।

ইউক্রেন ও রাশিয়া এখন পূর্বাঞ্চলে ক্ষয়যুদ্ধে লিপ্ত। ভারী লড়াইয়ের মধ্যে রাশিয়া নিয়মিত ছোট ছোট সাফল্য পাওয়ার দাবি করে যাচ্ছে।

সম্প্রতি সেখানে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে। ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয়েই বসন্তকালীন বড় অভিযান শুরু করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সীমান্ত ক্রসিংয়ে সন্তানদের জড়িয়ে ধরে আছেন আনা সেমিউক নামের একজন ইউক্রেনীয় মা। ছবি: রয়টার্স

হাল ছাড়েনি ইউক্রেনীয়রা

স্বাধীন থাকার জন্য ইউক্রেনীয় জনগণের আকাঙ্ক্ষা অব্যাহত রয়েছে।

মাসের পর মাস ধরে অবিরাম ও ভয়াবহ হামলার পরও রাশিয়ার বিরুদ্ধে সহনশীলতায় অটল ছিলেন ইউক্রেনীয়রা। ২০২২ সালের অক্টোবরে কিয়েভ ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব সোসিওলজির জরিপের তথ্য অনুসারে, ৮৬ শতাংশ ইউক্রেনীয় রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান প্রতিরোধকে সমর্থন করেন।

রুশ আক্রমণের পর ৮০ লাখের বেশি ইউক্রেনীয় নিজেদের মাতৃভূমি ছেড়েছেন। জাতিসংঘের লিপিবদ্ধ তথ্য অনুসারে, যুদ্ধের উভয়পক্ষের ৮ হাজারের বেশি বেসামরিক নিহত হয়েছে। যারা দেশ ছেড়ে যাননি তাদের জীবন ছিল বিপর্যস্ত। লুকিয়ে রাখা মাইন ছিল নাগরিকদের জীবনের জন্য হুমকি।

জাতিসংঘের তদন্তে উঠে এসেছে, বাড়ি-ঘর, স্কুল ও হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়েছে। রুশ দখলকৃত এলাকায় ধর্ষণ, নির্যাতন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ও শিশুদের বন্দি করার মতো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোতে রুশ হামলা যুদ্ধাপরাধ কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ক্রেমলিন অবশ্য বেসামরিকদের টার্গেট করার অস্বীকার করে আসছে।

সহনশীলতার জন্য ইউক্রেনীয়দের প্রশংসা করে যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা। এই সাহসিকতার আড়ালে ১ কোটি মানুষ, প্রতি চারজন ইউক্রেনীয়ের একজন, সংঘাতের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত জটিলতায় পড়েছেন বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যে বলা হয়েছে।

ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের এক বছর প্রায় পূর্ণ হতে চললেও এর সমাধান দৃশ্যমান হচ্ছে না। ইউক্রেনে যারা রয়ে গেছেন তাদেরকেই যুদ্ধের বেশিরভাগ বোঝা বহন করতে হচ্ছে, দৈনন্দিন জীবন চালিয়ে যেতে হচ্ছে। রণক্ষেত্র থেকে দূরের শহরের মানুষেরা এখনও বিমানহামলার সংকেত শুনতে শুনতে দোকানপাট খুলছেন। বড়দিনের বাজার খুলেছে। রেস্তোরাঁগুলোতে নিজেরা রান্না করা শিখছেন, বিদ্যুৎ না থাকলেও অতিথিদের আপ্যায়ন করা হচ্ছে।

যারা লড়াইয়ের খুব কাছাকাছি থাকে তারা বেঁচে থাকার জন্য অনেক দূরে নতুন জীবন চায়। লাখ লাখ ইউক্রেনীয়ও বিদেশে শরণার্থী হিসেবে তাদের জীবন পুনরায় গড়ে তুলছে।

কিন্তু জনগণ যত দিন দেশকে রক্ষা করছে তত দিন ইউক্রেন টিকে থাকবে।

রয়টার্স অবলম্বনে।

Source link

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Stream TV Pro News - Stream TV Pro World - Stream TV Pro Sports - Stream TV Pro Entertainment - Stream TV Pro Games - Stream TV Pro Real Free Instagram Followers PayPal Gift Card Generator Free Paypal Gift Cards Generator Free Discord Nitro Codes Free Fire Diamond Free Fire Diamonds Generator Clash of Clans Generator Roblox free Robux Free Robux PUBG Mobile Generator Free Robux 8 Ball Pool Brawl Stars Generator Apple Gift Card Best Android Apps, Games, Accessories, and Tips Free V Bucks Generator 2022